মিথ্যা মামলায় দমিয়ে রাখতে পারেনি সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেনকে

Total Views : 138
Zoom In Zoom Out Read Later Print

বিডি ক্রাইম নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারের সাবরাং এর রাজনীতিতে এমন শূন্যতা আর কখনো অনুভব করেনি এখানকার মানুষ। বিগত প্রায় সাড়ে তিনমাস অভিভাবকহীন সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের কয়েক লক্ষাধিক মানুষ। বঞ্চিত প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা থেকেও। তাদের মনে চাপা ক্ষোভ, আতঙ্ক আর অভিবাবকহীনতার বেদনা যে কাউকে ব্যথিত করেছে।

মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি টেকনাফ থানার প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ নুর হোসেন চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে গত ১৫ জুন তাকে অন্যতম আসামী করে অপর তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে।

তবে, চেয়ারম্যানের দাবি তাকে পরিকল্পিতভাবে এ মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। একই দাবি এখানকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে কৃষক, শ্রমিক,ছাত্র ও অন্যান্য পেশাজীবীদেরও। 

অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে ভুলে যাওয়া টেকনাফের মানুষগুলো সেদিন জেগে উঠেছিল। প্রতিবাদ করতে মানববন্ধনের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেদিন প্রদীপের লেলিয়ে দেওয়া লাঠিয়াল বাহিনী গণতান্ত্রিক এই অধিকার টুকুও চর্চা করতে দেয়নি। তারা সেদিন সাধারণ মানুষের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। আহত করা হয় অর্ধ-শতাধিক মানুষকে।

এরপরেও থামাতে পারেনি প্রতিবাদ মুখর এসব মানুষদের। যার যার অবস্থান থেকে তারা প্রতিবাদ করেছে।

এরপর হগ (১৮ জুন) কক্সবাজার জেলা পরিষদ হল রুমে এই ‘পরিকল্পিত’ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পরিবারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চেয়ারম্যান নূর হোসেনের স্ত্রী রাবিয়া বসরী।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, সাবেক টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান ও বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য শফিক মিয়া, টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ নুরুল বশর, জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর প্রমুখ।

এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিনমাস। অনেকটা আত্মগোপনে চলে যান নুর হোসেন চেয়ারম্যান। আজ নিজের ফেসবুক হেন্ডেলে অনেকটা ঘোষণা দিয়ে ফিরছেন জনতার চেয়ারম্যান নুর হোসেন।

তার এ ঘোষণায় অনেকে আবেগআপ্লূত হয়ে এ প্রতিবেদকে বলেন, ৪ নং সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেনের সেবায় সন্তুষ্ট ইউনিয়নবাসী। অসহায়, দিনমজুরের মানুষের কল্যাণে কাজ করায় তিনি এখন ইউনিয়নে সকলের আস্থর প্রতীক হয়ে উঠেছেন। ইউনিয়নের দেন দরবার থেকে শুরু করে সবগুলো সেবা সঠিকভাবে পাওয়ায় চেয়ারম্যানকে নিয়ে গর্ববোধ করছে ইউনিয়নের আপামর জনতা। লোভ লালশার ঊর্ধ্বে থেকে তিনি সকলকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সার্টিফিকেট, ওয়ারিশ সার্টিফিকেট, প্রত্যায়নপত্র, টেড্রলাইসেন্স সঠিক ভাবে পাওয়ায় প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ ইউনিয়নের পরিষদমুখী হয়ে উঠছেন। কোন প্রকার হয়রানি ছাড়াই যেন ইউনিয়ন পরিষদে আগত সেবা প্রত্যাশীরা সেবা নিতে পারে, সে দিকে খেয়াল রেখেই তিনি কাজ করছেন।

নুর হোসেন সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবকের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউনিয়ন থেকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বাল্য বিয়ে, শিক্ষারহার বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছেন তিনি। স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন নিয়েই তিনি কাজ করছেন। তার নির্বাচনী ইশতেহার শতভাগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিইে এখন পর্যন্ত তিনি মানুষকে সেবা দিচ্ছেন। সাবরাং ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়েই নুর হোসেন কাজ করছে।

সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেনের কঠোর তত্ত্বাবধায়নে সুনামের সাথেই দিন দিন সাবরাং ইউনিয়ন এগিয়ে যাচ্ছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা পাকা করন, নতুন নতুন রাস্তা নির্মাণ. আর্সেনিক মুক্ত টিউবওয়েল, স্যানেটারীসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করে জনসাধারণের বিশ্বস্ত হয়ে উঠেছেন তিনি।

নুর হোসেন সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বর্তমান সফল সরকারের জাতীয় প্রতিটি দিবস যথাযথ ভাবে পালন করে আসছেন। সরকারের উন্নয়নের চিত্র সব সময় জনসম্মুখে তুলে ধরে আসছেন, এবং সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য সব সময় কাজ করে চলছেন।

নুর হোসেন ছাত্র জীবন থেকেই জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। ছাত্র রাজনীতিতেই তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি নৌকার মান রাখতে নিরলস ভাবে সব সময় কাজ করছেন।

নুর হোসেন চেয়ারম্যান বলেন, আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। তাই সব সময় জনগণের সেবা দিতেই আমি প্রতিশ্রুতি বদ্ধ রয়েছি। কোন মানুষ যাতে আমার পরিষদে এসে হয়রানি না হয়, সেলক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করছি। সরকারের যাতে বদনাম না হয়, সেজন্য সরকারের বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাত, পঙ্গু ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিএফের সঠিক ভাবে বিতরণ করে আসছি। যতদিন ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবকের দায়িত্বে থাকবো সততা ও নিষ্ঠার সাথে সব সময় কাজ করবো ইনশাল্লাহ।

See More

Latest Photos