চট্টগ্রামে কর্ণফুলীর তলদেশে টানেলের দ্বিতীয় টিউবের খননকাজ শেষ.

Total Views : 86
Zoom In Zoom Out Read Later Print

চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি..

বহুল প্রতিক্ষিত চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন টানেল প্রকল্পের দ্বিতীয় টিউবের খননকাজ শেষ হয়েছে। আনোয়ারা প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া এই টিউব এসে যোগ হয়েছে নগরীর পতেঙ্গা প্রান্তে।দ্বিতীয় টিউবের খননকাজ শেষ হয়েছে। টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম) ব্যবহার করে এটি খনন করতে সময় লেগেছে ১০ মাস।এর আগে প্রথম টিউবের খননকাজ করতে সময় লেগেছিল ১৭ মাস।

প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, দ্বিতীয় টিউবের খননকাজ শেষ হলেও স্ল্যাবের কাজ বাকি রয়েছে,আশা করছি জানুয়ারি মাসে কাজ শুরু করা যাবে।২০২২ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ।উক্ত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।সরেজমিনে জানা যায়, মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার।টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দুই সুড়ঙ্গে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকবে।

২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর আনোয়ারা প্রান্ত থেকে টিউবের খননকাজ শুরু হয়। ভার্চুয়ালি খননকাজ উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

নগরীর পতেঙ্গা থেকে প্রথম টিউবের খননকাজ শেষ হয় গত বছরের ২ আগস্ট। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম টানেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন। ১৮ থেকে ৩১ মিটার গভীরে প্রতিটি টানেলের প্রশস্ততা ৩৫ ফুট। এতে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা।

২০১৪ সালে প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ও চীনের সরকারি পর্যায়ে টানেল নির্মাণে সমঝোতা হয়। চুক্তি স্বাক্ষর হয় ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর। টানেল নির্মাণে আছে চায়না কমিউনিকেশন অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) লিমিটেড।দেশের প্রথম নদীর তলদেশে সুড়ঙ্গ যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ।সাধারণ ও অসাধারণ জনগণ কর্ণফুলী টানেল দেখতে ভীড় করছে হাজার হাজার মানুষ। 

See More

Latest Photos